মঙ্গলবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১৬

: মাশরাফিকে নিয়ে বই :



বাংলাদেশ ক্রিকেটের সর্বকালের সেরা অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। ক্রিকেটার হিসাবে অল্পদিনেই দেশবাসীর নয়নের মণি হয়ে উঠেন এই ক্রিকেটার। খেলোয়াড় জীবনে তাঁর সবচেয়ে বড় শত্রু ইনজুরি। ইতোমধ্যে তাঁর দুই পা ১০ বার ডাক্তারের ছুরির নিচ দিয়ে পার হয়ে এসেছে। মাশরাফি মনে করে পরিবারের চাইতে দেশ বড়, তাই দেশের কথা চিন্তা করে চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। এই মহান ক্রিকেটার জীবনের নানা ঘটনা নিয়ে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে জীবনীগ্রন্থমাশরাফি

বুধবার, ১৩ এপ্রিল, ২০১৬

: বাওবাব গাছ :

 একটি আজব ধরণের গাছ বাওবাব। এদের গোড়া প্রকান্ড ড্রামের মত গোল আর বেশ মোটাও। এটির গোড়ার বেয় প্রায় নয় মিটার কিংবা তার বেশিও হয়ে থাকে। গোরাটা অমন বেরেলের মত ডাবকা মোটা হলেও উচ্চতা খুব বেশি নয়।

লজ্জাবতী তার নাম: ছোট বেলায় এই গাছটিকে দেখলে কে কে লজ্জা দিতেন???


লজ্জাবতী গাছ ছোট বেলায় এই গাছ দেখলেই লজ্জা দিতেন কে কে ?

লজ্জাবতী কোনো মেয়েকে দেখলে আমরা অনেকেই সোহাগভরা কণ্ঠে বলে থাকি_ লজ্জাবতী লতা। কিন্তু মানুষের মতো গাছও যে লজ্জা পেতে পারে_ কথা হঠাৎ শুনলে বিস্মিত হলেও আমরা অনেকেই গাছটির সঙ্গে পরিচিত। সামান্য স্পর্শ পেলে নববধূূর মতো নেতিয়ে পড়ে গাছটি। ছোট গুল্মজাতীয় গাছটির নাম লজ্জাবতী।

বৃহস্পতিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৫

হিসাবের গ্যাড়াকলে

এক মুদি দোকানী গড় অংক ভাল করে রপ্ত করেছিলো। সে একবার স্ত্রী-পুত্রকে নিয়ে মহিষের গাড়ীতে করে সফরে রওয়ানা হলো। যেতে যেতে সামনে নদী পড়লো। দোকানী ভাবতে লাগলো, এখন কী করা যায়? সে পানিতে নেমে দেখলো, পানি কোথাও কোমার পর্যন্ত কোথাও হাঁটু পর্যন্ত। আবার কোথাও ডুবে যাওয়ার মতো পানি রয়েছে। সে তখন ভাবলো, গড়পড়তা হিসাব কষা দরকার। তাই কাগজ-কলম নিয়ে হিসাব করতে বসে গেলো। সে হিসাব করে দেখলো, গড়ে কোমর সমান পানি হয়। তখন সে এতে গাড়ী ডুববে না ভেবে খুশী হয়ে গেল এবং গাড়ী নিয়ে পানিতে নেমে পড়লো। কিন্তু গাড়ী মাঝ নদীতে গিয়েই ডুবে গেলো। তখন দোকানী সাতরিয়ে কোন মতে তীরে উঠল।কিন্তু ততক্ষণে স্ত্রী-পুত্র নাকানি- চুবানী খেয়ে যায় যায় অবস্থা। তখন দোকানী চিৎকার জুড়েদিলো। এতে আশেপাশের লোকজন এসে তাদেরকে উদ্ধার করলো। অতঃপর তারা ঘটনার আদ্যোপান্ত শুনে দোকানীকে ভর্ৎসনা করতে লাগল।
শিক্ষাঃ কাগজ-কলম দিয়েই সবকিছু সমাধান করা যায় না। বুদ্ধি দিয়ে বাস্তবতা উপলব্ধি করারও প্রয়োজন হয়। এভাবে সবকিছু বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
আরো জানতে:
লিখক: সাইফ মাহমুদ কিনান।
সম্পাদনায়: R.Hossain
www.fb.com/robiulbd24